কথায় বলে, ছালায় শুয়ে লাখ টাকার স্বপ্ন। মানে খুব বেশী স্বাপ্নিক হলে সমস্যা। এটি যেমন একটি সমস্যা তেমনি খুব ছোট স্বপ্ন হলেও সমস্যা। স্বপ্ন খুব ছোট হলে যে সমস্যা হয় তা হল, বড় স্বপ্ন পূরণের দিকে যাওয়ার অনুপ্রেরণা থাকেনা। এটি খুবই পরিষ্কার হবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের দিকে তাকালে। ছোট খাট সাফল্যে দল ও দর্শক এমন খুশিতে ফেটে পড়ে যে ধারাবাহিক ভাবে ভাল করা এবং আরো ভাল পারফর্ম করার দিকে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হয় না। অতি আবেগের নেতিবাচক প্রভাব যে সত্যিই রয়েছে তার প্রমাণ খোদ বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক আশরাফুলের কথা থেকে পাওয়া গেছে। একদিন তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল কেন তিনি ধারাবাহিক ভাবে ভাল করতে পারেননা। তার উত্তর ছিল অনেকটা এরকম: আসলে একদিন ভাল করার পর আমি এত বেশী খুশি হয়ে যাই যে তার প্রভাবে পরবর্তী অনেকদিন ভাল করতে পারিনা।
আসলেই আমরা জাতিগত ভাবেই খুবই আবেগ প্রবণ। আর আবেগ প্রবণ হবার কারণে আমরা খুব অল্পেই অতিশয় আবেগে উদ্বেলিত হয়ে পড়ি। আর এ বিষয়টিই প্রথম আলোতে আনিসুল হক তার ‘স্বপ্ন এত ছোট কেনে?’ শিরোণামের গদ্যকার্টুনে তুলে ধরেছেন। তিনি সশস্ত্র বাহিনী দিবসে শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়ার সংক্ষিপ্ত কুশল বিনিময়ের ব্যপারে মিডিয়ার প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে লিখেছেন। আসলেই খালেদা ও হাসিনার কয়েক মিনিটের আলাপ মিডিয়া যে ভাবে হাইলাইট করল তা আমাকেও কিছুটা কৌতুকদ্দীপ্ত করে তুলেছিল। আনিসুল হক লিখেছেন, “সশস্ত্র বাহিনী দিবসে বেগম খালেদা জিয়া আর শেখ হাসিনা পাশাপাশি দাড়িয়েছিলেন। তাদের মুখে হাসি ছিল। তারা কুশল বিনিময় করেছেন। শেখ হাসিনা নাকি জানতে চেয়েছেন, বিশেষ কারাগারে যখন পাশাপাশি থাকতেন তারা, তখন বেগম জিয়ার জন্য তিনি খাবার রেধে পাঠিয়েছিলেন, সেটা বেগম জিয়া পেয়েছেন কি না! এরকমই কথা বার্তা। কিন্তু সেটাই হয়ে উঠল আমাদের টেলিভিশন ও খবরের কাগজগুলোর প্রধান খবর। একটার শিরোনাম ছিল, জাতির স্বপ্নপূরণ।” আসলে এ রকম শিরোনাম কি একটু বাড়াবাড়ি নয়? অবশ্যই দু নেত্রীর কথা বলাকে, হাত মেলানোকে আমরা স্বাগত জানাব। বরং সরল দৃষ্টিতে তো মনে হচেছ কথা বলা, হাত মেলানো খুবই স্বাভাবিক। আর সে জন্যই একে এমনভাবে হাইলাইট করায় আমি নিতান্ত অবাক হতে হয়েছে। আমরা তো আশা করি দু নেত্রী শুধু কথা বলবেননা তারা দুজনের প্রতি সহনশীলতা প্রদর্শন করবেন। তাদের মতদ্বৈতা যেন জাতিকে দুভাগ করে না ফেলে, জাতিকে সংঘাতের মুখে ঠেলে না দেয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন। অথচ অতীতে আমরা এমনটিই হতে দেখেছি বার বার। কিন্তু দুজনেই সাবেক প্রধান মন্ত্রী ছিলেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, কোন দলের নয়। তাই আমাদের বিশ্বাস দু'জনেই এ দেশের ভালই চান। আর তাই জাতীয় স্বার্থে একাট্টা হয়ে কাজ করতে হবে তাদের। নতুবা জাতি দুর্বল থেকে দুর্বলতর হতেই থাকবে। তাই বলছিলাম আমাদের স্বপ্ন তো অনেক বড়। দু’জনে দু’মিনিট কথা বলাটা অবশ্যই ভাল হয়েছে। তবে আমাদের স্বপ্ন এতটুকুতেই সীমাবদ্ধ রাখতে চাই না। আমরা আরো বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ স্বপ্নপূরণের জন্য অপেক্ষা করছি। সেজন্য তাদের অতি স্বাভাবিক সৌজন্যমূলক কুশল বিনিময়কে আমরা খুশির সাথেই নিতে চাই কিন্তু আহলাদে আটখানা হতে চাই না। আমরা দেখতে চাই রাজনীতিতেও তাদের এই সৌজন্য বজায় থাকবে।
আসলেই আমরা জাতিগত ভাবেই খুবই আবেগ প্রবণ। আর আবেগ প্রবণ হবার কারণে আমরা খুব অল্পেই অতিশয় আবেগে উদ্বেলিত হয়ে পড়ি। আর এ বিষয়টিই প্রথম আলোতে আনিসুল হক তার ‘স্বপ্ন এত ছোট কেনে?’ শিরোণামের গদ্যকার্টুনে তুলে ধরেছেন। তিনি সশস্ত্র বাহিনী দিবসে শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়ার সংক্ষিপ্ত কুশল বিনিময়ের ব্যপারে মিডিয়ার প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে লিখেছেন। আসলেই খালেদা ও হাসিনার কয়েক মিনিটের আলাপ মিডিয়া যে ভাবে হাইলাইট করল তা আমাকেও কিছুটা কৌতুকদ্দীপ্ত করে তুলেছিল। আনিসুল হক লিখেছেন, “সশস্ত্র বাহিনী দিবসে বেগম খালেদা জিয়া আর শেখ হাসিনা পাশাপাশি দাড়িয়েছিলেন। তাদের মুখে হাসি ছিল। তারা কুশল বিনিময় করেছেন। শেখ হাসিনা নাকি জানতে চেয়েছেন, বিশেষ কারাগারে যখন পাশাপাশি থাকতেন তারা, তখন বেগম জিয়ার জন্য তিনি খাবার রেধে পাঠিয়েছিলেন, সেটা বেগম জিয়া পেয়েছেন কি না! এরকমই কথা বার্তা। কিন্তু সেটাই হয়ে উঠল আমাদের টেলিভিশন ও খবরের কাগজগুলোর প্রধান খবর। একটার শিরোনাম ছিল, জাতির স্বপ্নপূরণ।” আসলে এ রকম শিরোনাম কি একটু বাড়াবাড়ি নয়? অবশ্যই দু নেত্রীর কথা বলাকে, হাত মেলানোকে আমরা স্বাগত জানাব। বরং সরল দৃষ্টিতে তো মনে হচেছ কথা বলা, হাত মেলানো খুবই স্বাভাবিক। আর সে জন্যই একে এমনভাবে হাইলাইট করায় আমি নিতান্ত অবাক হতে হয়েছে। আমরা তো আশা করি দু নেত্রী শুধু কথা বলবেননা তারা দুজনের প্রতি সহনশীলতা প্রদর্শন করবেন। তাদের মতদ্বৈতা যেন জাতিকে দুভাগ করে না ফেলে, জাতিকে সংঘাতের মুখে ঠেলে না দেয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন। অথচ অতীতে আমরা এমনটিই হতে দেখেছি বার বার। কিন্তু দুজনেই সাবেক প্রধান মন্ত্রী ছিলেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, কোন দলের নয়। তাই আমাদের বিশ্বাস দু'জনেই এ দেশের ভালই চান। আর তাই জাতীয় স্বার্থে একাট্টা হয়ে কাজ করতে হবে তাদের। নতুবা জাতি দুর্বল থেকে দুর্বলতর হতেই থাকবে। তাই বলছিলাম আমাদের স্বপ্ন তো অনেক বড়। দু’জনে দু’মিনিট কথা বলাটা অবশ্যই ভাল হয়েছে। তবে আমাদের স্বপ্ন এতটুকুতেই সীমাবদ্ধ রাখতে চাই না। আমরা আরো বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ স্বপ্নপূরণের জন্য অপেক্ষা করছি। সেজন্য তাদের অতি স্বাভাবিক সৌজন্যমূলক কুশল বিনিময়কে আমরা খুশির সাথেই নিতে চাই কিন্তু আহলাদে আটখানা হতে চাই না। আমরা দেখতে চাই রাজনীতিতেও তাদের এই সৌজন্য বজায় থাকবে।